🔹 পাকা চাল কুমড়া
🔹কলাই ডাল
🔹পিয়াজ
Free shipping on orders over $50
30-day money-back guarantee
Secure checkout
ঐতিহ্যবাহী কুমড়ার বড়ি:
কুমড়ার বড়ি হলো বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী শুকনো খাবার, স্বাদেভরপুর,যা মূলত কুমড়া ও ডালের মিশ্রণে তৈরি করা হয় এবং রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয়।এটি বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে শীত ও বর্ষাকালের জন্য আগে থেকে বানিয়ে রাখা হয়। বিভিন্ন তরকারিতে মজাদার সংযোজন হিসেবে ব্যবহার করা যায়।এটি ভাজা বা রান্না করে খাওয়া হয়,যা স্বাদের পাশাপাশি পুষ্টিতে ও ভরপুর।আপনার প্রতিদিনের রান্নায় যোগ করবে একটি অসাধারণ স্বাদ ও মজাদার ঘ্রাণ।
🔸পুষ্টিগুণ:
🔹প্রোটিনের ভালো উৎস: ডাল থেকে প্রাপ্তউদ্ভিজ্জ প্রোটিন শরীরের কোষ মেরামত, পেশিগঠন ও শক্তি জোগাতেসাহায্য করে।
🔹 চোখ ও ত্বকের জন্য উপকারী: কুমড়ায় থাকা বিটা-ক্যারোটিন (ভিটামিন A-এর পূর্বসূরি) দৃষ্টি, ত্বক ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাবাড়ায়।
🔹 হজমে সহায়ক: ডায়েটারি ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়, অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবংপেট ভরা রাখে।
🔹 রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়ক: ডালে থাকা আয়রন (লোহা) হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে।
🔹 ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: উচ্চ ফাইবার ওপ্রোটিন ক্ষুধা কমায় এবং অতিরিক্তখাওয়া নিয়ন্ত্রণে রাখে।
🔸রান্নার পদ্ধতি:
🔹 ভেজে ব্যবহার – ডাল, শাক ও
অন্যান্য তরকারির সাথে ভেজে হালকা
ভেঙে দেওয়া হয়।
🔹মাছের ঝোল – মাছের ঝোলের সাথে দারুণ স্বাদযোগ করে।
🔹আলু-বড়ির ঝোল – শীতকালে খুব জনপ্রিয়।
🔹কম তেলে রান্না – তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর ও হালকা খাবার।
🔸সংরক্ষণ পদ্ধতি:
🔹 ঠান্ডা ওশুকনা জায়গায় রাখুন।
🔹সরাসরি রোদ বা চুলারতাপ থেকে দূরে রাখুন।
🔹আর্দ্র জায়গা (যেমন সিঙ্কের পাশে) এড়িয়ে চলুন।
🔹মাসে একবার ১–২ ঘণ্টারোদে দিলে দীর্ঘদিন ভালোথাকে।
🔹বর্ষাকালে ফ্রিজের ড্রাই অংশে সংরক্ষণ করাযায়।
প্রস্তুতপ্রণালী:
১. ডালভিজানো: ডাল ৫–৬ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে নরম করাহয়।
২. বাটাতৈরি: ভেজানো ডাল ঝরিয়ে নিয়েরসুন, মরিচ ও লবণসহভালো করে বাটা হয়।
কুমড়া কুঁচি বা পেস্ট করেডালের বাটার সাথে মেশানো হয়।
৩. মিশ্রণফেটানো: মিশ্রণটি হাত বা চামচদিয়ে ভালো করে ফেটানোহয়, যাতে হালকা ওফোলাভাব আসে।
৪. রোদেশুকানো: পরিষ্কার কাপড় বা প্লাস্টিকেরউপর ছোট ছোট গোলআকারে বসিয়ে ২–৩ দিনকড়া রোদে শুকানো হয়।
৫. সংরক্ষণ:পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে বায়ুরোধী পাত্রেরেখে কয়েক মাস সংরক্ষণকরা যায়।